Previous
Next

সর্বশেষ

Wednesday, December 11, 2019

ফেনীর নুপুর সেরা গবেষক হিসেবে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ অর্জন

ফেনীর নুপুর সেরা গবেষক হিসেবে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ অর্জন

ফেনীর কৃতি সন্তান তামান্না ইসলাম নুপুর সেরা গবেষক হিসেবে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ অর্জন করেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ বিশেষ গবেষনা অনুদান ও এনএসটি ফেলোশিপের চেক গ্রহণ করেছে।

ইতিপূর্বে নুপুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্হান অর্জন করেছিল।
তার প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল ফেনী শিশু নিকেতন কালেক্টরেট স্কুল থেকে। সে ২০০৯ সালে ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি তে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ ও কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্হান অর্জন করেছিলো।



২০১১ সালে ফেনী সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি তে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ ও কুমিল্লা বোর্ডে ১৯তম স্হান করেছিলো ।
ছোট বেলা থেকে সে সরকারী/বেসরকারী বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছিলো ।

পড়ালেখার পাশাপাশি নুপুর আবৃত্তি ,ছবি আঁকা, উপস্হিত বক্তৃতা বিতর্ক, নাটক এ জাতীয় পর্যায়ে একাধিক পুরস্কার পেয়েছে।
এছাড়া ২০০১ সালে সুইডেন থেকে ছবি আঁকায় বিশেষ পুরস্কার অর্জন করে।

অতিসম্প্রতি নুপুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে সেরা ফলাফলের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট গোল্ড মেডেলের জন্য মনোনীত হয়েছে।

তামান্না ইসলাম নুপুর সকলের দোয়া প্রার্থী
জামায়াত থেকে ফেনীর আলোচিত সাবেক ডিসি সোলায়েমানের পদত্যাগ

জামায়াত থেকে ফেনীর আলোচিত সাবেক ডিসি সোলায়েমানের পদত্যাগ

ফেনীর সাবেক ডিসি এ এফ এম সোলায়েমান চৌধুরী জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি ২০০১ সালে ত্বত্তাবধায়ক সরকারের সময় আগস্ট মাসের শুরুতেই ফেনীর জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। একই সনের ১৭ আগস্ট তিনি ফেনীর তৎকালীন গডফাদার খ্যাত জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জয়নাল হাজারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দেশ বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হন।

২০০১ সালে হাজারীর বাস ভবন থেকে বিপুল পরিমাণ ‘অস্ত্র গোলাবারূদ উদ্ধার করে’ ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। এসময় জয়নাল হাজারী পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে জয়নাল হাজারী ডিসি সোলায়েমান চৌধুরীকে জামায়াত নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করলেও প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। ডিসি হিসেবে সোলায়েমান চৌধুরীর প্রায় দুই বছরের কর্মকালীন সময়টি ফেনীর জনপদে সোলায়েমানী শাসন ও তিনি সোলায়েমান বাদশা নামে পরিচিতি পান। ২০০২ সালে বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুজ সাঈদ এস্কান্দরের সাথে বিরোধে জড়িয়ে বদলী হন।

পরবর্তীতে সোলায়মান চৌধুরী ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সচিব, পাটকল সংস্থার চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম ওয়াসা চেয়ারম্যান, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রপতির সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ থেকে তিনি চাকুরি থেকে অবসরে যান। চাকুরী শেষে তিনি বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এক সময় জামায়াত রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সাবেক এই আমলা মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর জামায়াত রাজনীতি থেকেও পদত্যাগ করেন। এদিন দুপুরে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।


দলের আমিরকে লেখা পদত্যাগপত্রে সোলায়মান চৌধুরী বলেন, ‘আশা করি ভালো এবং সুস্থতার সাথে আপনার উপর অর্পিত দায়িত্ব আমানতদারিতার সাথে পালন করছেন। আমি এ.এফ.এম সোলায়মান চৌধুরী অদ্য ১০ ডিসেম্বর-২০১৯, মঙ্গলবার বেলা ১টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য পদে ইস্তফা প্রদান করলাম এবং সংগঠনের সকল দায়িত্ব ও পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।’

Tuesday, December 10, 2019

দাগনভূঞায় পুকুরে ডুবে শিশুর করুন মৃত্যু

দাগনভূঞায় পুকুরে ডুবে শিশুর করুন মৃত্যু

দাগনভূঞা প্রতিনিধি:ফেনীর-দাগনভূঞায় পুকুরে ডুবে মো. মিহেল (৫) নামের এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। পৌর শহরের আজিজ ফাজিলপুর গ্রামের বশির উল্যা মাস্টার বাড়ীতে আজ ( ১০ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ওইদিন দুপুরে আজিজ ফাজিলপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. ইমাম হোসেন সোহাগের ছেলে মো. নিহেল পরিবারের অজান্তে পুকুরে ডুবে যায়। পরে অনেক খোঁজা খুঁজি করে না পেয়ে পুকুরে লাশ বাসতে দেখে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষনা করে। নিহতের স্বজনেরা তাঁকে বাড়ীতে নিয়ে গেলে নড়াছড়া করে, উপস্থিত এসময় লোকজন তাকে ফেনী সদর হসপিটালে নিয়ে যায় এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষনা করে। দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম সিকদার নিহতের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ফেনীর দাগনভূঞায় ৭১তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

ফেনীর দাগনভূঞায় ৭১তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন দাগনভূঞা উপজেলা শাখার আয়োজনে ৭১তম বিশ্ব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে দাগনভূঞা বাজার জিরোপয়েন্টে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা শাখার সভাপতি মানবতাবাদী আবুল কায়েশ রিপনের সভাপতিত্ত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান ।

উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মোঃ নাজমুল হকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দাগনভূঞা থানা অফিসার ইনচার্জ আসলাম শিকদার, এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শরীয়ত উল্যাহ বাঙ্গালী, উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা শাখার যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক আবদুল মন্নান পারভেজ। এছাড়াও উক্ত র‍্যালি,  আলোচনা সভায় উপস্থিত   ছিলেন সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, কমিশনের উপজেলা, পৌরশাখা, ইউনিয়ন শাখার নেতৃবৃন্দসহ শুভাকাংখী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। 

Monday, December 9, 2019

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ফেনীতে বিএনপির বিক্ষোভ

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ফেনীতে বিএনপির বিক্ষোভ


দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ফেনী শহরে বিক্ষোভ করেছে বিএনপি। রবিবার কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল করে। শহরের তাকিয়া মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বড় বাজারের প্রেস ক্লাব সংলগ্ন খাজা আহমদ সড়কে গিয়ে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল।

মিছিলে যুগ্ম-আহবায়ক এম এ খালেক, গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, আলাউদ্দিন গঠন, আনোয়ার হোসেন পাটোয়রি, জেলা যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক নঈম উল্যাহ চৌধুরী বরাত, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক এসএম কায়সার এলিন প্রমুখ নেতাকর্মীরা অংশ নেন। নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শ্লোগান দেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা হওয়ার পর গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়া। এরপর আরও একটি দুর্নীতি মামলায় সাজা হয় তার।

Sunday, December 8, 2019

হযরত শাহ জালাল রঃ এর মাজার জিয়ারতে দাগনভুঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির

হযরত শাহ জালাল রঃ এর মাজার জিয়ারতে দাগনভুঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির

সপরিবারে বাবা শাহ জালাল জিয়ারতে গেলেন,
দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন।
================================
শাহ জালালের দরগাহ, সিলেট শহরের একটি আধ্যাত্মিক স্থাপনা, যা মূলত ১৩০৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে আগত পাশ্চাত্যের ইসলাম ধর্মপ্রচারক বাবা শাহ জালালের বাসস্থান ও শেষ সমাধি। এই দরগাহ সিলেট শহরের উত্তর প্রান্তে একটি টিলার উপর অবস্থিত। কারো কারো মতে সিলেট ভূমির মুসলিম সভ্যতা ও ধর্মমত এই দরগাহকে কেন্দ্র করে প্রসার লাভ করেছে।

শাহ জালালের লৌকিক ও অলৌকিক স্মৃতি বিজড়িত এই স্থান সিলেটের অন্যতম পূণ্য তীর্থ হিসেবে পরিচিত।
 ঐতিহাসিক অচ্যুৎচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধির মতে এই দরগাহ থেকে প্রেরিত শাহ জালালের সঙ্গী অনুসারীদের দ্বারা ঢাকা, ময়মনসিংহ, ত্রিপুরা, কুমিল্লা ও আসাম প্রভৃতি স্থানে মুসলিম সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রচার ও প্রসার হয়েছে।

বাবা শাহজালাল রাঃ ও ওনার ৩৬০ জন সহচর সহ অসংখ্য আউলিয়া কেরাম মাধ্যমে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

তাই বাংলাদেশে সকল ধর্মপ্রাণ মানুষ মাজার শরিফ জিয়ারত করে।