Tuesday, September 27, 2016

পবিত্র আল আরবে পুরুষ অভিভাবক প্রথা বাতিলের প্রচারাভিযান নামছে নারীরা


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
পবিত্র আল আরবে নারীদের অধিকার বলতে কিছুই নেই। বর্তমানে আরবে নারীদের কাজকর্মে, লেখাপড়া ও ঘরের বাহিরে যেতে হলে পুরুষের অনুমতি ছাড়া যাওয়া সম্ভব না। আর একজন নারী যদি বিদেশে যেতে চায়, তাহলে পুরুষের অনুমিত ও সঙ্গে নিয়ে যেতে হয়। আর এই প্রথা বাতিলের জন্য আরবের প্রায় ১৪ হাজারের ও বেশি মহিলা আবেদন জানিয়েছেন। বর্তমানে আরবে নিয়ম হচ্ছে যদি কোনো মেয়ে লেখাপড়া ও বিদেশে যেতে চায়, পুরুষ অভিভাবকের অনুমিত ছাড়া যেতে পারবেনা। এছাড়া সেখানে নারীরা যদি ফ্ল্যাট ভাড়া, চিকিৎসা জন্য হাসপাতালে যেতে, গাড়ি চালাতে ও পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করতে হলেও  পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া করতে পারে না।

আরবের এই কুপ্রথা দূর করতে এর আগেও  নারীদের আন্দোলনের খবর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং টুইটারে এ-সংক্রান্ত হ্যাশট্যাগ ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে আরবের নারীদের। গত কিছুদিন ধরে সেখানর অনেক নারী বিভিন্ন লেখনির মাঝে তা ফুরে উঠে। তারা এইরকম লেখে 'আমিই আমার অভিভাবক' লেখা ব্রেসলেটের ছবি শেয়ার করছেন। তাছাড়া গত কয়েকদিনে আরবের কয়েক'শ মহিলা বাদশাহর কার্যালয়ে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছেন এই প্রথা বাতিল করার জন্য। আর এই  আবেদনটি তারা সসরাসরি রাজপ্রাসাদে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাদেরকে বলা হয় যে, তাদের দাবিটি ই-মেইল করে পাঠিয়ে দিতে।

আরবের নারী অধিকার আন্দোলনের কর্মী আজিজা আল-ইউসেফ জানান, তিনি নারীদের এই  উদ্যোগের জন্য নিজেকে গর্বিত বোধ মনে করছেন। এর আগে  আজিজা  আরবের নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে কথা বলায় তাকে পুলিশ কারাগারে পর্যন্ত নিয়ে যায়। আরবের বর্তমানে নারীদের  দাবিগুলোর হচ্ছে, একটি মেয়ের বয়স ১৮ বা ২১ হলে তাকে যেন একজন প্রাপ্তবয়স্ক  হিসেবে গন্য করা হয়। বর্তমান রাজা এ নিয়ে এখনও কোন মন্তব্য করেনি।

শেয়ার করুন