Saturday, April 22, 2017

সোনাগাজীর নবাবপুর-মজুপুরের পোল্ট্রি অঞ্চল যেন ডিম-মুরগীর রাজ



বিশেষ প্রতিনিধি :
সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মজুপুর ও নবাবপুরে গড়ে ওঠা পোল্ট্রি অঞ্চল থেকে মাসে প্রায় দুই লাখ ডিম পাওয়া যাচ্ছে। এ ডিমে ফেনীসহ আশপাশের কয়েক উপজেলার চাহিদা মেটানো হচ্ছে। এখানকার দেড় শতাধিক খামারে কাজ করছেন দেড় হাজারেরও বেশি কর্মী। খামারগুলো থেকে প্রাপ্ত বর্জ্যে গড়ে তোলা হয়েছে বেশ কয়েকটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট। এলাকায় একটি খাদ্য কারখানাও গড়ে তোলা হয়েছে। নবাবপুর ইউনিয়নের মজুপুর, লেমুয়া ইউনিয়নের মীরগঞ্জ, দৌলতপুর, নেয়াজপুরসহ কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছে এই পোল্ট্রি অঞ্চল।

আজ থেকে ১৮ বছর আগে ১৯৯৮ সালে এলাকার শিক্ষিত তরুন আবুল বাশার লিটন তার কয়েকজন উদ্যমী বন্ধুকে সাথে নিয়ে গড়ে তোলেন বন্ধন পোল্ট্রি। এখন এ প্রতিষ্ঠানের চারটি মুরগী খামার, একটি দুগ্ধ খামার ও তিনটি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট রয়েছে। পাঁচ বন্ধু মিলে বেশ কয়েকটি প্লটও কিনেছেন। আগে ভাড়া করা জমিতে খামার পরিচালনা করলেও এখন করছেন নিজেদের কেনা জমিতে। এ কর্মযজ্ঞে শুরু থেকে ছিলেন লিটন ও রফিক আহমদ। পরে যুক্ত হন আব্দুল ওয়াদুদ নাসির, আবুল খায়ের মিলন ও শরীফুল ইসলাম আরিফ। তাদের দেখে উৎসাহিত হয়ে অনেকেই গড়ে তুলেছেন মুরগী খামার। বর্তমানে প্রায় দেড়শ খামার আছে ওই পোল্ট্রি অঞ্চলে। এখান থেকে মাসে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় দুই লাখ ডিম। মাংস পাওয়া যাচ্ছে মাসে কয়েক টন। এতে ফেনী জেলার চাহিদা মিটছে ও আশপাশের উপজেলাগুলোতেও পাঠানো হচ্ছে ডিম-মাংস। এটি জেলার অন্যান্য অঞ্চলের জন্য হতে পারে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সহজ শর্তে ঋণ পেলে এখানে আরো খামার গড়ে উঠতে পারে বলেও মত দেন খামারিরা।

শেয়ার করুন