Sunday, May 21, 2017

ফেনী সদর হাসপাতালে চরম ভোগান্তীতে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশুরা : প্রথম পর্ব...



মো.ইউনুছ ভূঞাঁ সুজন (ফেনী প্রতিনিধি):
ফেনী সদর হাসপাতালে চরম ভোগান্তীতে চিকিৎসা নিচ্ছে প্রায় শতাদিক শিশু। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , ফেনী সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩য় তলার ৭নং ওয়ার্ডে শিশু বিভাগ। নানান সমস্যায় জর্জরিত শিশু বিভাগটি । ৩২ টি সিটের পরিবর্তে প্রতিদিন গড়ে ভর্তি হচ্ছে ৪০-৬০টি রোগী। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি রুমে ৪জন করে থাকার কথা থাকলে ও সে ক্ষেত্রে ১০-১৫জন পর্যান্ত গাদাগাদি করে রয়েছে। এ করে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের অভিভাবককেরা বলেন সুস্থা হতে হাসপাতালে এসে পরিবেশেরফেনী সদর হাসপাতালে চরম ভোগান্তীতে চিকিৎসা নিচ্ছে প্রায় শতাদিক শিশু। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , ফেনী সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩য় তলার ৭নং ওয়ার্ডে শিশু বিভাগ। নানান সমস্যায় জর্জরিত শিশু বিভাগটি । ৩২ টি সিটের পরিবর্তে প্রতিদিন গড়ে ভর্তি হচ্ছে ৪০-৬০টি রোগী। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি রুমে ৪জন করে থাকার কথা থাকলে ও সে ক্ষেত্রে ১০-১৫জন পর্যান্ত গাদাগাদি করে রয়েছে।

এ করে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের অভিভাবককেরা বলেন সুস্থা হতে হাসপাতালে এসে পরিবেশের কারনে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা । শিশু মাহমুদার (৮ মাস) মা আঞ্জুমা আক্তার বলেন, আমার মেয়ের বয়স ৮মাস গত মঙ্গল বার থেকে আমরা এ শিশু বিভাগে ভর্তি আছি। আমার মেয়ের জ্বর ছিল তার পর শরিরীক অবস্থার অবোনতি হয়ে  অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুর । শিশু মাহমুদার (৮ মাস) মা আঞ্জুমা আক্তার বলেন, আমার মেয়ের বয়স ৮মাস গত মঙ্গল বার থেকে আমরা এ শিশু বিভাগে ভর্তি আছি। আমার মেয়ের জ্বর ছিল তার পর শরিরীক অবস্থার অবোনতি হয়ে নিমুনিয়া হয়ে যায়। তিনি দু:খের সহিত আরো বলেন ,৩ দিন গত হলে ও এখনো সিট পাইনি । ফ্লোরে আজ ৩ দিন পর্যন্ত রয়েছি ।

শিশু সাইদুল হকের (১২মাস) মা জরিনা আক্তার জানান, আমার ছেলে আজ ৩ দিন হাসপাতালে রয়েছে।  কোন সিট পাইনি । যাবত জ্বর থেকে এখন শ্বাস কষ্টে আক্রন্ত হয়েছে । চিকিৎসার ব্যাপরে যতেষ্ট আশাবাদী হলেও কিন্তু ডাক্তারদের অবহেলার কারনে আমরা হতাশ। তিনি আরো বলেন , নিয়ম অনুযায়ী এক রুমে ৪ জন রোগী থাকার কথা রয়েছে কিন্তু সে ক্ষেত্রে রয়েছে ১০-১২জন রোগী। যার ফলে আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা পাচ্ছি না।

এ দিকে শিশু বিভাগের সিনিয়র নার্স শামিমা জানান, শিশুদের উন্নত চিকাৎসার জন্য নেই কোন থেরাপী মেশিন। শ্বাস কষ্টের জন্য অতি গুরুত্ব পূর্ন ৪টি নেবুলাইজার মেশিন থাকার কথা থাকলেও সেই খানে ২টি নেবুলাইজার মেশিন রয়েছে তাও অকেজো।
এ ব্যপারে শিশু বিভাগের প্রধান ডাঃ গাজী গোলাম মোস্তফা জানান, আমরা আমাদের সর্বত্র চেষ্টা দিয়ে একজন রোগিকে সুস্ঠ করতে দায়িত্ব পালন করে থাকি। হাসপাতালে শিশু বিভাগে রোগীর সংখ্যাও বেশি। ৩২ সিটের পরিবর্তে প্রতিদিন ৩০ -৪০টি রোগী ভর্তি হয়। যার ফলে রোগীদের মধ্যে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

তিনি আরো জানান, রোগী দেখে এসে হাত পরিস্কার করার জন্য বেসিং’র কোন ব্যবস্থা নেই। ডাক্তারদের জন্য টয়লেটের ব্যাবস্থা নেই। এমন হাসপাতালে চাকরি করতেছি ।

শেয়ার করুন