Wednesday, May 31, 2017

নোয়াখালীর কোথাও ক্ষয় ক্ষতি হয়নি, ঘরে ফিরেছে উপকূলবাসী


ইমরান হোসেন মামুন, নোয়াখালী প্রতিনিধি:
রাত যত বাড়ছিল ভয় এবং আতংক ততই বাড়ছিল, ফেসবুক, রেডিও, টেলিভশনে সংবাদ জানতে ব্যস্ত ছিল উপকূলবাসী অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছিলেন। আল্লাহর অশেষ রহমাতে এবারও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে গেছে উপকূলবাসী। আবহাওয়া অফিসের সংবাদ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিল নিম্নঅঞ্চলের মানুষ তাই আগ থেকেই প্রস্তুত ছিল তারা। 

সকাল ৬ টায় ঘূর্ণিঝড় "মোরা" আঘাত হানার কথা থাকলেও তেমন কোন চিহ্ন পাইনি উপকূলিয়রা, সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও হালকা বাতাস হচ্ছিল, প্রতিদিনের মতই স্কুল কলেজে যেতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। ঘূর্ণিঝড় “মোরা”র প্রভাবে নোয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চল হাতিয়া, সুবর্নচর, কোম্পানীগঞ্জ উপকূলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক, কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে কয়েক হাজার লোককে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে আনা হয়েছে।

সোমবার থেকে তিন উপজেলাতে ৩১২ টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং এছাড়া আরও ১০০ টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। জরুরী ত্রান সহায়তা হিসেবে নগদ ৫ লক্ষ টাকা এবং ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১০২ টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬২৪০ জন এমন তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার ।

মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্নচর উপজেলার উপর দিয়ে হালকা ও মাঝারি ধরনের ঝড়ো হাওয়া বইছিল। সকাল থেকে হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

হাতিয়ার সর্ব দক্ষিনে নিঝুমদ্বীপ, জাহাজমারাসহ বিভিন্ন স্থানে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। তাপমাত্রাও সহনীয়, বাতাসের গতিবেগ সামান্য। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

শেয়ার করুন