Thursday, June 8, 2017

ফেনীতে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা


শহর প্রতিনিধি :
ফেনীতে সরকারি জিয়া মহিলা কলেজের অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেনী সরকারি কলেজ ও সরকারি জিয়া মহিলা কলেজের শত শত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্মচারীরা কলেজের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ফেনী সরকারি কলেজের অফিস সহকারী (পিয়ন) কৃঞ্চ চন্দ্র দাসের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এছাড়াও মানববন্ধনে  সাধারন মানুষও অংশ গ্রহন করে। তারা সারা দেশে অভিযুক্ত সকল ধর্ষকদের অভিলম্বে বিচার দাবী।

এর আগে ধর্ষণের অভিযোগে কৃষ্ণ চন্দ্র দাস (৩০) নামে ফেনী সরকারী কলেজের ওই অফিস সহকারীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বুধবার দুপুরে নির্যাতীতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬ মে ফেনী সরকারী কলেজ কেন্দ্রে অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অসদ উপায় অবলম্বনের দায়ে সরকারী জিয়া মহিলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়। ওই শিক্ষার্থী কান্নাকাটি শুরু করলে তাঁর বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার করে দেবে বলে অফিস সহকারী কৃষ্ণ চন্দ্র দাস (৩০) তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। নানা কুটকৌশল করে আবারো তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলেও নির্যাতিতা বুধবার সকালে ফেনী সরকারী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অধ্যক্ষ তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। সে পাঁছগাছিয়া ইউনিয়নের মালাকার বাড়ীর হারাদন চন্দ্র দাসের ছেলে।

ফেনী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারীকে পরবর্তী আইনী প্রদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক মো. রাশেদ খান চৌধুরী তাকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

শেয়ার করুন