Thursday, June 22, 2017

শবে-ই-কদরের ফজিলত


মাও. নাজমুল করিম আলকাদেরী:
শবে-ই-কদরে পড়ার দুআ, আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী মুরতাজা শেরেখোদা রাদিয়াল্লাহুতায়ালাআনহু বলেন, যে কেউ শবে-ই-কদরের সূরা কদর সাতবার পড়বে আল্লাহ তাকে প্রত্যেক বালা মুসিবত থেকে নিরাপত্তা দান করেন। আর সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য জান্নাত প্রাপ্তির দুআ করেন।

আর যে ব্যক্তি সারা বছরে যখনই জুমারদিন জুমার নামাজের পূর্বে তিনবার পড়বে আল্লাহতায়ালা ওইদিনে সমস্ত নামাজ সম্পন্নকারীর সংখ্যার সমান ছাওয়াব তার আমল নামায় দান করবেন। (নুযহাতুল মাজালিস,১ম খন্ড ২২৩পূষ্ঠা)। উম্মুলমুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহুতায়ালাআনহা বলেন, একবার আমি আমার মাথার মুকুট রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় দরবারে আরজ করলাম হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি আমি শবে-ই-কদর সম্পর্কে জানতে পারি তবে আমি কি পড়বো? প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ ফরমালেন, এ ভাবে দুআ প্রার্থনা করো:- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আপুউ উুন তুহিব্বুল আফওয়া ফায়ফু আন্নিই। ( আরবি মাখরাজ অনুযায়ী পড়ার চেষ্টা করবেন)। অর্থ:-হে আল্লাহ নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা পছন্দ করো। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করো। (তিরমিযীশরিফ,৫ম খন্ড,৩০৬ পৃষ্ঠা, হাদিস নং ৩৫২৪)।

শবে-ই-কদরের নামাজ:-
শবে-ই-কদরের নামাজ সর্বনিম্ন দুইরাকাত এবং সর্বোচ্চ একশত রাকাত। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর একবার সূরা কদর ও ২য় রাকাতে তিনবার সূরা ইখলাছ পড়বেন। দু রাকাত পর পর সালাম ফিরিয়ে দুরুদ শরিফ পাঠ করবেন যত খুশি ততবার, এ ভাবে ইচ্ছে মত নামাজ পডে আল্লাহর দরবারে দুআ করবেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে শবে-ই-কদরের ফয়েজ বরকত নছিব করুন, আমিন। বিজাহিন নাবিয়্যীল কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

শেয়ার করুন