Friday, June 16, 2017

ফেনীর দাগনভূইয়া জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা


টাইমস অব ফেনী ডেস্ক:
ফেনীর শহরের মত জেলার দাগনভূইয়া উপজেলার বিভিন্ন শপিংমল গুলোতে রমজানের শেষে এসে জমে উঠছে ঈদের কেনাকাটা। আমাদের প্রতিনিধি দাগনভূইয়ার অন্যতম জনবহুল মার্কেট ইসহাক শপিং কমপ্লেক্সে,সুলতান নিউ সুপার মার্কেট ও আতাতুর্ক স্কুল মার্কেট ঘুরে দেখে এবং বিভিন্ন দোকানিদের সাথে কথা বলে জানতে পারে যে, রোজার শেষ দিকে এসে বিক্রয় বেশ জমে উঠেছে।

এদিকে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এবার ভালোভাবে ঈদের কেনাকাটা করছে। তারা জানায়, ঈদের খুশিকে বাড়িয়ে তুলতে ছোট বড় প্রত্যেকেরই চাই নতুন পোশাক। তাই দাগনভূইয়ার গ্রামাঞ্চল থেকে ছুটে আসছে মানুষ। প্রতিবারের ন্যায় এবারো ১-১৮ বছর বয়সী মেয়েদের পোশাকে নতুনত্ব আনা হয়েছে। এসব পোশাকের মধ্যে- ওয়েস্টার্ন কুর্তি, সারারা, রাখি-বন্ধন, পঞ্চু, বাহুবালি,লেহেঙ্গা ইত্যাদিকে ক্রেতারা বেশী প্রাধান্য দিচ্ছে। সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এইসব পোশাক।

নারীদের বিভিন্ন শাড়ির মধ্যে রয়েছে- ঢাকাই জামদানী, সুতি জামদানী, টাংগাইল, জর্জেট, কাতান, কাবরী ইত্যাদি। যা ৪০০ থেকে ৪৫০০ এর মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে ছেলেদের পোশাকে কোন নতুনত্ব না আসলেও বিশেষ কিছু ব্র্যান্ডের উপর প্রাধান্য দিচ্ছে ক্রেতারা। তাছাড়া বর্তমান আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে সুতির পাঞ্জাবী ও টি-শার্ট এসব বেশী আনা হয়েছে। ইন্ডিয়ান পাঞ্জাবী, প্রিন্স আড়ং,নবাব, পাঞ্জাবী সেন্টার, সুতা ঘর, জে সেভেন, কারপল্লী, এ্যান্ড ইত্যাদির শার্ট, টি-শার্ট, পাঞ্জাবী, ফতুয়া পাওয়া যাচ্ছে ৪০০- ৪৫০০ এর মধ্যে। পোশাকের সাথে মিলিয়ে জুতো, ব্যাগ, জুয়েলারি ও বিভিন্ন কসমেটিক্সে নতুনত্ব এনেছে বিক্রেতারা। তবে ক্রেতা সমাগম থাকলেও ভালো বিক্রয় হচ্ছে না বলে দাবি করেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের কথা ভেবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা থাকলেও গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি বাড়ছে।

দােকানিরা জানায়, শেষ মুহুর্তে ক্রেতা আরো বাড়বে বলে আশা করছেন।এছাড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য কয়েকটি দোকানে সিসি ক্যামেরা লাগানো হলেও, বেশীরভাগ দোকানে তা নেই। প্রশাসনোর পক্ষথেকে এখনো কোন আইনিভাবে নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন দোকানী’রা।


শেয়ার করুন