Wednesday, June 7, 2017

রেইন ট্রি হোটেলের ধর্ষনের ঘটনাটিকে হার মানালো ফেনীর সরকারী কলেজের ঘটনা


আবদুল্লাহ রিয়েল:
অনার্স তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে ফেনী সরকারী কলেজ অফিস সহকারীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ধর্ষণকারীর নাম কৃষ্ণ চন্দ্র দাস (৩০)।  বুধবার দুপুরে নির্যাতীতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

কলেজ সূত্র জানা যায়, গত ৬ মে ফেনী সরকারী কলেজ কেন্দ্রে অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষায় নকলের দায়ে সরকারী জিয়া মহিলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়। পরে সেই শিক্ষার্থী কান্নাকাটি করলে, তাঁর বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার করে দেবে বলে আশ্বাস দেয় অফিস সহকারী কৃষ্ণ চন্দ্র দাস। সে ওই ছাত্রীকে পাশের একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণ করে।  কৃষ্ণ চন্দ্র দাস তাকে দ্বিতীয়বার ধর্ষণের চেষ্টা করলে নির্যাতিতা আজ সকালে ফেনী সরকারী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অধ্যক্ষ তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। সে পাঁছগাছিয়া ইউনিয়নের মালাকার বাড়ীর হারাদন চন্দ্র দাসের ছেলে।

গত মে মাসে ঘটে যাওয়া ঘটনা আজ জন সন্মুখে আনল মেয়েটি! আশ্চর্য ! নিজে ধর্ষিত হয়ে এমন জঘন্যতাকে দীর্ঘ এক মাস কিভাবে চাপা দিয়ে থাকলো মেয়েটি? এই ঘটনাটি ঢাকার রেইন ট্রি হোটেলের সেই ধর্ষণের মতো হয়ে গেল। পরে অধ্যক্ষ  কৃষ্ণ চন্দ্র দাস কে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

ফেনী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারীকে পরবর্তী আইনী প্রদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক মো. রাশেদ খান চৌধুরী  বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন