Sunday, November 18, 2018

স্ত্রীকে গুমের অভিযোগে মিথ্যা মামলা, সংসার করছে অন্য যুবকের সাথে, চাঁদপুর কচুয়া থেকে উদ্ধার


 স্বামী ইসমাইল হোসেন মজুমদার রিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ১৫ লক্ষ টাকা যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা করতে লাশ গুম করার। সঙ্গে ছিলেন শশুর হাজী আবদুস সোবহান মজুমদার, শাশুড়ি সামছুন নাহার ও নিকট আপনজন মোঃ মহিউদ্দিন মজুমদার সোহাগ। সোহাগ এমামলায় জেলে আছে । অন্যরা হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন।
অথচ যাকে হত্যা করে লাশ গুমের অভিযোগ সেই আসমা আক্তার অন্য যুবকের সাথে সংসার করছে চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায়।
ফুলগাজী থানার এসআই অনাবিক চাকমার নেতৃত্বে পুলিশ আসমার মায়ের মোবাইল নম্বর টেকিং করে বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার করে নিয়ে আসে থানায়।
ফুলগাজী থানার ওসি মো কতুব উদ্দিন ও ওসি তদন্ত পান্না লাল বড়ুয়া বলেন, প্রথমে আসমা ফেইসকুকে চাঁদপরের কছুয়ার ব্যবসায়ী মো আবির সাথে পরিচয় হয় সেখান থেকে আসমা প্রথমে ঢাকা, শরীয়তপুর, পরে চাঁদপুর থেকে পুলিশ আসমাকে উদ্বার করে।প্রায় ২৯ দিন পর সে উদ্বার করা হয়।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ছাগলনাইয়া থানার জয়নগর গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মরহুম মোশাররফ হোসেনের বড় মেয়ে আসমা আক্তার (২০) এর সাথে পারিবারিকভাবে ২০১৫ সালের ২৩ জুলাই ৮ লক্ষ টাকা দেন মোহরে বিয়ে হয়, ফুলগাজী উপজেলার ইসলাম পুর গ্রামের হাজী আবদুস সোবহানের ছেলে ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন মজুমদার রিপন এর সাথে।
আসমা আক্তার গত ৮ অক্টোবর বিকালে সকলের অজান্তে ১৬ লক্ষ টাকা ২২ ভরি ওজনের স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায়। অনেক খোজা খোজির না পেয়ে রিপনের পরিবার ফেনীর পুলিশ সুপারের শরণাপন্ন হয়।
পুলিশ সুপারের কাযালয়ের এএসআই মোঃ আবদুল মতিন উভয়কে ২১ অক্টোবর সকাল ১০ টায় হাজির থাকার অনুরোধ করে লিখিত নির্দেশ দেন। কিন্তু আসমার পরিবার হাজির না হয়ে উল্টো ১৭ অক্টোবর হত্যা করে লাশ গুমের অভিযোগ এনে ফুলগাজী থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ এজহার নামীয় ৪নং আসামী সোহাগকে আটক করে। সোহাগ বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।

শেয়ার করুন