Saturday, April 13, 2019

ঘটনার ৮ দিনেও হত্যা রহস্য উদঘাটন না হওয়া নুসরাতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা


জাবেদ হোসাইন মামুন->>>
মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে অগ্নিসংযোগ করে নির্মম হত্যা কান্ডের ৮ দিন অতিবাহিত হলেও কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। কোন কোন আইন শৃঙ্খলাবাহীনী বলেছে ঘটনাটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই বলেছে তদন্তে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে নুসরাতের পরিবার ও এলাকাবাসী দেশের আলোচিত ঘটনার মত যেন এই নির্মম হত্যাকান্ডটি ধামা চাপা পড়ে না যায়, সে ব্যপারে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। তারা দাবী করেন ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছেন। গণমাধ্যমেও বেশ গুরুত্বসহকারে সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করেছেন। জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্তদলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনা তদন্ত করেছেন। কিন্তু দৃশ্যমান কোন প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত কোন সংস্থা প্রকাশ করেননি বা করতে পারেননি। এ নিয়ে ছাত্রীর পরিবার, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করা শর্তে ক্ষোভ হতাশা ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে পিবিআই এর পরিদর্শক মো. শাহ আলম ও মোনায়েমের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে এলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পিবিআই এর পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে পিবিআই। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে মামলাটি তদন্তে মাঠে আছেন পিবিআইএর তদন্ত দল। ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। রিমান্ডের আসামীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তে আশানুরূপ অগ্রগতি হয়েছে। কি রকম অগ্রগতি হয়েছে সে ব্যপারে তারা উত্তর দিতে পারেননি। এর সোনাগাজীর সর্বস্তরের মানুষের দাবী প্রতিবাদী নুসরাত হত্যাকান্ডটি যেন কোন অদৃশ্য শক্তির কাছে হারিয়ে না যায়।
এ ব্যপারে পিবিআই এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান জানান, সর্বমোট ১০জন আসামী গ্ররফতার করা হয়েছে। ৪জন রিমান্ডের আসামীকে ব্যপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তে অগ্রগতি রয়েছে।


শেয়ার করুন